বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

চট্টলার বার্তা
৩৩

মীরসরাইয়ে ৮৫ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ: উপজেলা কৃষি সুপার ভাইজার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

মীরসরাই উপজেলা কৃষি সুপার ভাইজার কাজী নুরুল আলম বলেছেন, মীরসরাইয়ে প্রায় সব মিলে ৮৫ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়। উপজেলার ওয়াহেদপুর, দুর্গাপুর, করেরহাট, মুহুরী প্রজেক্ট ও পাহাড়ি এলাকা আমের আবাদ বেশি ফলন হয়। 

আমের ফলন বেশি পেতে হলে যথাযথ পরিচর্যা করতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমের মুকুল আসার পূর্বে গাছে পানি ছিটিয়ে পাতাগুলো ধুয়ে দিতে হয়। আমের মুকুল যখন গুটি দানার মতো হয় তখন ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হয়। 

উপজেলার দুর্গাপুর, ওয়াহেদপুর, মিঠাছরা, জোরারগঞ্জ, আবুতোরাব, মঘাদিয়া, সাহেরখালী, মায়ানী, করেরহাট, ইছাখালী, বড় দারোগারহাট, এলাকার অনেক বাড়ির আঙিনায়, পুকুর ধারে আম গাছে মুকুল ধরেছে।

বৈচিত্রপূর্ণ ব্যবহার, পুষ্টিমান এবং স্বাদ ও গন্ধে আম একটি অতুলনীয় ফল। বিশেষ করে শীতের শেষে যখন আমের মুকুল আসে, আর সেই মুকুল থেকে যখন ছোট ছোট আম বের হয়, তখন শুরু হয় কালবৈশাখী। আর এতে ঝড়ের বাতাসে অনেক আম ঝড়ে পড়ে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়, মুকুলের যথাযথ পরিচর্যা না করলে মুকুল ঝরে পড়ে আমের ফলন ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। আম গাছে ফুল আসার ১৫ দিন আগে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। ফুল ফোটার সময় মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকলে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হতে পারে। এতে গাছের পাতা, কচি ডগা, মুকুল ও কচি আমে কালো দাগ পড়ে। 

প্রাকৃতিক পরাগায়ণের জন্য আম বাগানে মৌমাছি পালন, বাগানের চারদিকে ফুলের গাছ রোপণ এবং বাগানে বিভিন্ন জাতের আমগাছ লাগানো প্রয়োজন। আম গাছে মুকুল আসার সময় হপার পোকা কচি অংশের রস চুষে খায়। ফলে মুকুল শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে ঝরে পড়ে। এ ছাড়া রস চোষার সময় পোকা আঠালো পদার্থ নিঃসৃত করে। এতে ফুলে পরাগরেণু আটকে পরাগায়নে বিঘ্ন ঘটে।
 
 

চট্টলার বার্তা
চট্টলার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর