শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

চট্টলার বার্তা
সর্বশেষ:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পরিবহন নেতাদের বৈঠক আজ নেদারল্যান্ডসের রাজধানীতে প্রথমবারের মতো মাইকে আজান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার তদন্ত বন্ধ করছে সুইডেন দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
৩৪৯৭

মন্ত্রী থাকাকালীন চন্দনাইশে সংখ্যালঘুদের জমি দখল করেছেন অলি আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

চন্দনাইশে ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী এলডিপি সভাপতি কর্নেল অলি আহমেদ একজন সাবেক সাংসদ এবং মন্ত্রী।  ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। অলি আহমেদ আগামী  নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণায় নামায় চন্দনাইশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।     

 

এর কারণ খুঁজতে গেলে জানা যায়, মন্ত্রী থাকাকালীন চন্দনাইশের দোহাজারী ও হারলা পৌরসভা এলাকায় অসংখ্য  হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল করেছে অলি আহমেদ।

 

জানা যায়, কর্নেল অলি এর আগে সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখল করেন।  এলাকাছাড়া করার হুমকি দিয়ে জমি নিজের নামে দলিল করে নেন। অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবার তার নির্যাতনের শিকার হয়ে বর্তমানে ভারত অবস্থান করছে।

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থানকারী জমি হারানো চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার স্বর্ণ ব্যবসায়ী শিমুল দাশ জানান, কর্নেল অলি আমার পৈতৃক সম্পত্তিগুলো জীবনের হুমকি দিয়ে দখল করে। হিন্দু হওয়ায় ভয়ে কিছু বলতে পারিনি। তার উপর তিনি মন্ত্রী হওয়ায় ওই সময় পুলিশ আমার অভিযোগ আমলে নেয়নি। অলির লোকজন হুমকি দেয়, বেশি বাড়াবাড়ি করলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। পরে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ভারতে চলে আসি।  

 

চন্দনাইশ উপজেলার হারলা পৌরসভার বাসিন্দা ব্যবসায়ী অনিমেষ চন্দ্র রায় জানান, হারলা পৌরসভায় আমার বাপ-দাদার অনেক জমি ছিল। এখানে আমাদের মুদি ব্যবসাসহ আরও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। সব দখল করেছে অলি আহমেদের বাহিনী।আমরা প্রাণের ভয়ে আইনের সহায়তা নেইনি তখন। ভারত চলে এসেছি।

 

সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনকারী এবং জমি দখলকারী অলি আহমেদের প্রচারণায় আবারও আতঙ্কে ভুগছেন  চন্দনাইশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা। অলি আবার নির্বাচিত হলে তাদের ভাগ্যে কী ঘটবে সেই আশংকায় দিন গুনছেন তারা।

চট্টলার বার্তা
চট্টলার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর