বৃহস্পতিবার   ১৪ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ৩০ ১৪২৬   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

চট্টলার বার্তা
সর্বশেষ:
ফোকফেস্টের পর্দা উঠছে আজ গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা চলছেই, নিহত বেড়ে ৩২ ইডেনে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট দেখতে হাসিনাকে চিঠি মোদির শুরু হলো আয়কর মেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা ‘দেশ ক্ষুধামুক্ত হয়েছে, এবার লক্ষ্য দারিদ্র্যমুক্ত করা’
৩২১৩

ভোট বানচালে বাহার এবং  ইবরাহীমের নেতৃত্বে ৫০০ শিবির ক্যাডার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮  

নির্বাচনের বাকি আর মাত্র পাঁচ দিন। সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে। ভোটাররা ৩০ ডিসেম্বর উৎসবের সাথে ভোট দেওয়ার অপেক্ষা করছেন। এদিকে গোপন সূত্রে জানা গেছে, প্রচারণায় এখন পর্যন্ত জনগণের কোন সমর্থন না পাওয়ায় ভোট বানচালে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন চট্টগ্রামের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই জন সাবেক সেনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে শিবিরের ৫০০ সদস্যের বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে।

 

চট্টগ্রাম-২ এবং চট্টগ্রাম-৫ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আজিম উল্লাহ বাহার এবং সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম সাবেক সেনা কর্মকর্তা। তারা এই বিশেষ দল তৈরির অগ্রভাগে আছেন বলে জানা গেছে।

 

আজিম উল্লাহ বাহারের দুই ভাই সাবেক শিবির ক্যাডার। জানা গেছে, গত ২২ ডিসেম্বর বাহারের দুই ভাইসহ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা সৈয়দ ইবরাহীমের নেতৃত্বে গোপন বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেই বিশেষ দলের সদস্যদের বিষয়ে দায়িত্ব এবং ৩০ তারিখ কিভাবে নির্বাচন বানচাল করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। চট্টগ্রামের শিবির ক্যাডারদের মধ্য থেকে বোমা-ককটেল তৈরিতে বিশেষজ্ঞ এবং কমান্ডো স্টাইলে হামলা চালাতে সক্ষম ৫০০ জনকে বাছাই করেন আজিম উল্লাহ বাহারের দুই ভাই।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বোমা বিশেষজ্ঞ ৫০০ শিবির ক্যাডারদের মধ্যে থেকে ৩০-৩৫ জন করে নিয়ে একেকটি দল তৈরি করা হবে। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের জন্য ১৬ টি দল তৈরি করা হবে। প্রতি দলে একজন করে দলনেতা থাকবেন। বাকিরা তার নেতৃত্বে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। জানা গেছে, ওই ১৬ দলের নেতা নির্বাচন করা হয়েছে ২০১৩-১৪ সালে বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনে সক্রিয়তার ভিত্তিতে। 


সূত্র জানায়, ভোটের আগের দিন শিবিরের বিশেষ দল প্রতিটি নির্বাচনী আসনের কেন্দ্রীয় এলাকায় অবস্থান নেবে। পরদিন সকালে ৩০-৩৫ জনের ওই দল থেকে  ৬-৭ টি উপদল তৈরি করা হবে। উপদলগুলো ওই আসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সাথে মিশে অবস্থান নেবে। এরপর সুযোগ বুঝে অতর্কিতে বোমা হামলা চালিয়ে কেন্দ্র জনশূন্য করবে। হামলার পরপরই দক্ষ এসব শিবির ক্যাডাররা দ্রুত স্থান ত্যাগ করবে।

 

বিশেষ দলটির নেতা গোপন স্থান থেকে থেকে উপদলগুলোর কাজ সমন্বয় করবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি দলের একজন করে সদস্য হামলার দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে রাখবেন। এই ভিডিও দ্রুত শিবির এবং বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের পেজে শেয়ার করা হবে। ফলে দ্রুত ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে। এতে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আর এসব ভিডিওতে বলা হবে হামলা হয়েছে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে।


জানা গেছে, এভাবে ভোট বানচাল করে ঐক্যফ্রন্ট বিদেশের কাছে দেখাতে চায় নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। জনরায় নিজেদের পক্ষে  নয় বুঝতে পেরে এরকম ভয়াবহ হামলার পরিকল্পনা করেছে ঐক্যফ্রন্ট। সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে শিবিরের বিশেষ এই ক্যাডারদের ব্রিফ করেছেন সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা আজিম উল্লাহ এবং সৈয়দ ইবরাহীম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুত হামলা করে কিভাবে স্থান ত্যাগ করতে হবে এ বিষয়ে শিবির ক্যাডারদের প্রশিক্ষণও দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের ওই দুই প্রার্থী।

চট্টলার বার্তা
চট্টলার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর