শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৮ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

চট্টলার বার্তা
সর্বশেষ:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পরিবহন নেতাদের বৈঠক আজ নেদারল্যান্ডসের রাজধানীতে প্রথমবারের মতো মাইকে আজান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার তদন্ত বন্ধ করছে সুইডেন দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
৫৮৩০

নির্বাচন বানচালে চিহ্নিত খুনীদের মাঠে নামার নির্দেশ কর্নেল অলির

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  

নির্বাচন বানচাল করতে সন্ত্রাসীদের মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরীক দল এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি। চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ধানের শীষের এই প্রার্থী সম্প্রতি একটি কর্মীসভায় দলের কর্মীদের এই নির্দেশ দেন। দলীয় সন্ত্রাসীদের মাঠে নামার নির্দেশসংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

'কেওচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল' ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি আপলোড  করা হয়েছে। ভিডিওটিতে কর্নেল অলিকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলতে শোনা যায়, '' বন্দুকের ভয় দেখাবেন না, গুলি পশ্চাদদেশে ঢুকিয়ে দিবো। মির্জা ফখরুলকে ধরছে। মির্জা আব্বাসকে ধরছে। মির্জা আব্বাসের বউরে ধরছে। এরকম সমগ্র বাংলাদেশকে ধরছে সরকার। আমরা ধৈর্য ধরে আছি। আমরা যখন ধরবো তখন দেশ ছেড়ে পালাতে চাইলেও পালাতে পারবেন না।"

কর্নেল অলির এই হুমকির পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। একজন প্রার্থী কিভাবে এরকম নোংরা ভাষায় সরকারকে হুমকি দিতে পারেন সেটা বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন অনেক তরুণ ভোটার। তাদের প্রশ্ন, নির্বাচনে সরকারের ভূমিকা নিয়ে কোন কথা থাকলে সেটা সংযতভাবে প্রকাশ করা উচিত। একজন সিনিয়র রাজনীতিবিদ এরকম হুমকি দিতে পারেন না। এর মাধ্যমে কর্নেল অলি তার স্বরূপ প্রকাশ করেছেন। ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তিনি যেরকম হুমকি দিচ্ছেন, ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতের মানুষদের তারা কী পরিমাণ নিপীড়ন করবেন তা তার বক্তব্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে। 

কয়েকজন রাজনীতি বিশ্লেষক বলেন, কর্নেল অলি আহমেদের এরকম ঘোষণা সাধারণ জনমনে ভীতি সঞ্চার করবে। তার মতো বড় মাপের নেতা যখন এসব কথা বলেন তখন তার দলের নেতা-কর্মীরা আরো বেশি অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়বে। তার এ বক্তব্যে প্রমাণ হয়, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার পায়তারা করছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

চট্টলার বার্তা
চট্টলার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর