বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৭ ১৪২৬   ০৭ শা'বান ১৪৪১

চট্টলার বার্তা
১০

কিডনির রোগ প্রতিরোধে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২০  

মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। প্রতিনিয়ত কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন বিশ্বের অনেক মানুষ। কিডনি রোগ খুব নীরবে শরীরের ক্ষতি করে। খুব জটিল অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত লক্ষণগুলো ভালোভাবে প্রকাশও পায় না। জীবনযাপন যতই আধুনিক হোক, ভালো থাকার আবশ্যিক শর্ত ভুলে গেলে জবাব দেবে কিডনি। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি খাওয়া বা স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে যে কিডনি ভালো রাখা যায় তা নয় বরং কিডনির যত্ন নিতে গেলে মেনে চলতে হবে কিছু বাড়তি বিষয়ও।

যা করবেন-

ওজন কমাতে গিয়ে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দেন অনেকই। কিন্তু এতে ক্ষতি হয় কিডনির। ডায়াটেশিয়ানদের মতে, খাবারে মোট ক্যালোরির ৬০–৬৫ শতাংশ যেন কার্বোহাইড্রেট থেকে আসে। তাই সারা দিনে ছোট এক বাটি ভাত বা দু’-তিনটে রুটি বা চিড়ে–মুড়ি–খই এবং দু’–তিন রকম শাকসব্জি–ফল খান।

লবণের পরিমাণও কমাতে হবে। কিন্তু কতটা কমাবেন এ নিয়ে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন। চিকিৎসকদের মতে, এখন যতটা লবণ খান তার চেয়ে ২ গ্রাম কম খান। অর্থাৎ দিনে এক চা–চামচের বেশি নয় ।

প্রক্রিয়াজাত খাবার ও প্যাকেটবন্দি খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এড়াতে এই ধরনের খাবার কম খান। এতে কিডনির রোগের আশঙ্কা প্রায় ২০ শতাংশ কমবে।

জাঙ্ক ফুড খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিন। নিতান্ত খেতে হলে সপ্তাহে এক–আধ দিনের বেশি একেবারেই নয়।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরিমাণ মতো পানি খান।  কম পানি খাওযা যেমন কিডনির কাজে সমস্যা করে, তেমনই শরীরের তুলনায় বেশি পানি খেলেও কিডনিতে চাপ পড়ে ক্ষতি হয়।

কিছু ওষুধ আছে যা কিডনির উপর চাপ পড়ে। যেমন, নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি গ্রুপের ব্যথার ওষুধ, অ্যাঞ্জিওগ্রাফি–আইভিপি বা সিটি স্ক্যানে ব্যবহৃত রঞ্জক, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, মৃগি বা টিবির ওষুধ, স্টেরয়েড ইত্যাদি। এগুলো ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খান।

যে কোনও রকম নেশা জাতীয় খাবার ত্যাগ করুন। হেরোইন, কোকেন, গাঁজা, ভাং, এমনকি দীর্ঘ দিন ধরে  মদ খেলেও কিডনির সমস্যা হয়।

রাত জাগা, কাজের চাপ, বিশ্রামের অভাবেও কিডনিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

চট্টলার বার্তা
চট্টলার বার্তা